বন্ধুদের সাথে
লিংক বানাও, বন্ধুরা খেলবে, তুমি দেখবে কে কী বলল।
কে আমাকে সবচেয়ে ভালো চেনে?
নিজের সম্পর্কে ৮টা প্রশ্নের উত্তর দাও, লিংকটা বন্ধুদের পাঠাও। তারপর দেখো কে তোমাকে হাড়ে হাড়ে চেনে।
এই ট্যুর কি আদৌ হবে?
বন্ধুদের সব গ্রুপেই একটা “কক্সবাজার ট্যুর” চ্যাট থাকে, যার প্ল্যান চলছে চার বছর ধরে। একটা লিংক দাও, সবাই সত্যি বলুক। তারপর দেখো ট্যুরটা আদৌ হবে কি না, আর কে পল্টি দেবে।
আমাদের গ্রুপে কে কোনটা?
গ্রুপের নিজের অ্যাওয়ার্ড নাইট! চার থেকে ছয়জনের নাম লেখো, সাতটা অ্যাওয়ার্ড বাছো। সবাই গোপনে ভোট দেবে, তারপর সার্টিফিকেটে উঠবে কে উড়নচণ্ডী আর কে রাত ৩টার ভরসা।
সত্যি না বানানো?
নিজের সম্পর্কে তিনটা কথা বাছো: দুইটা সত্যি, একটা ডাহা মিথ্যা। লিংকটা বন্ধুদের পাঠাও, তারপর দেখো কে এক ট্যাপে ধরে ফেলে আর কে বোকা বনে।
আমরা কতটা এক?
৮টা “এটা না ওটা” প্রশ্নের উত্তর দাও, লিংকটা বন্ধু, ভাইবোন বা প্রিয় মানুষকে পাঠাও। সে-ও উত্তর দিলে দেখা যাবে তোমাদের মিল কত।
এক কথায় আমি
৩টা শব্দে নিজেকে চেনাও, তারপর বন্ধুদের জিজ্ঞেস করো তারা তোমাকে কী বলে। শেষে পাবে বন্ধুদের চোখে তোমার একটা ছবি।
প্র্যাংক
নিরীহ মজা। যাকে প্র্যাংক করবে, সে কয়েক সেকেন্ডেই জেনে যাবে।
ভালোবাসার ক্যালকুলেটর
বন্ধুদের একটা ভালোবাসার ক্যালকুলেটর পাঠাও। তারা নিজের আর পছন্দের মানুষের নাম লিখবে, আর তুমি দেখবে কে কার নাম লিখল। নাম লেখার পরপরই তারা জানবে এটা প্র্যাংক, চাইলে মুছেও দিতে পারবে।
শোরগোল খবর
বন্ধুকে নিয়ে একটা মজার “খবর” বানাও, দেখতে একদম পত্রিকার পাতা বা টিভির ব্রেকিং নিউজের মতো। লিংক খুলে সে কয়েক সেকেন্ড থ হয়ে থাকবে, তারপর জানবে এটা প্র্যাংক।
বকেয়া আদায় নোটিশ
যে বন্ধু কখনো বিলের ভাগ দেয় না, তাকে হিসাবের খাতা থেকে একটা “চূড়ান্ত তাগাদা” পাঠাও, খুঁটিনাটি খরচসহ। পাঁচ সেকেন্ডের আতঙ্ক, তারপর হাসি।
নিজেকে মাপো
কয়েকটা প্রশ্নে নিজেকে মেপে দেখো, শেষে পাবে নিজের একটা কার্ড।
আমার জীবন: বাংলা সিনেমা
সাতটা প্রশ্নের উত্তর দাও, তারপর দেখো তোমার জীবন নিয়ে বাংলা ছবি হলে কেমন হতো: নাম, পোস্টার আর পুরো কাস্টসহ।
গ্রুপচ্যাটে তুমি কে?
দশটা চেনা পরিস্থিতি: ৯৯+ মেসেজ, ঝুলে থাকা ট্যুরের প্ল্যান, “একটা কথা ছিল”। দেখো গ্রুপে তুমি আসলে কে, তারপর বন্ধুদের ভোট নাও।
লাল পতাকা না সবুজ পতাকা?
দশটা অভ্যাস, দশটা সৎ উত্তর। প্রতিটার রায় সাথে সাথে: লাল পতাকা, সবুজ পতাকা, নাকি নিরীহ বেইজ? শেষে দেখবে তোমার পতাকা কতটা সবুজ, কতটা লাল।
বিয়ের বায়োডাটা
নিজের অভ্যাসগুলো সৎভাবে বলো। দুপুর ১টায় ঘুম ভাঙে? ঘটক পাখি ভাই লিখবেন “আন্তর্জাতিক টাইম জোনে অভ্যস্ত”। সাত প্রশ্নে পত্রিকার বিজ্ঞাপন তৈরি।
বয়সচোর
বয়স বলতে হবে না। শৈশবের দশটা স্মৃতি বেছে নাও, বয়সচোর তোমার জন্মসাল ধরে ফেলবে।
কই থেকে তুমি?
১৪টা প্রশ্ন: “কেন”, “কোথায়”, “এখন” তুমি কীভাবে বলো। উত্তর শুনেই আমরা বলে দেবো তোমার বাড়ি কোন অঞ্চলে।
কতটা ভোজনরসিক?
৬৪ জেলা, ৬৪ স্বাদ। বগুড়ার দই থেকে চাটগাঁর মেজবান, কয়টা খেয়েছো? খাদ্য পাসপোর্টে সিল মারো।
কতটা নোকিয়া যুগের?
মিসড কলের ভাষা, ব্লুটুথের লাইন, সাইবার ক্যাফে আর শর্টকাট ভাইরাস। ২৫টা স্মৃতিতে এক মিনিটে মেপে দেখো তুমি কতটা নোকিয়া যুগের, চাইলে পুরো ৮০টায়।
কতটা জ্যামে?
রোজ কতক্ষণ জ্যামে বসে থাকো? চারটা প্রশ্নের উত্তর দাও, দেখো জীবনের কতগুলো দিন রাস্তাতেই চলে গেছে।
খেলো, জেতো
স্কোর তোলো, তারপর বন্ধুদের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দাও।
তুমি কোন পক্ষে?
১২টা ছোট্ট কিন্তু কঠিন প্রশ্ন। চায়ে বিস্কুট ডুবিয়ে, না শুকনো? উত্তর দিলেই দেখবে কতজন তোমার পক্ষে।
ঢাকায় টিকে থাকো
সকাল আটটা, পকেটে ৫০০ টাকা, ফোনে আধা চার্জ, আর একটা জরুরি কাজ। রাত পর্যন্ত টাকা, সময় আর মেজাজ বাঁচাতে পারবে?
দামাদামির রাজা
পাঁচ দোকান, পাঁচটা আকাশছোঁয়া দাম, প্রতিটায় তিনবার কথা বলার সুযোগ। বেশি চাপ দিলে দোকান থেকে বের করে দেবে, আগেভাগে রাজি হলে ঠকবে।
১৬-এর মহারণ
১৬ জন নামবে, ট্রফি নেবে একজন। কাচ্চি না তেহারি, সাজেক না সুন্দরবন: ১৫টা লড়াই শেষে তোমার চ্যাম্পিয়ন কে?
আম্মুর রাডার
রাত সাড়ে দশটা, চারটা মিসড কল, হারানো টিফিন বক্স। আম্মুর ছয়টা প্রশ্ন, তোমার তিনটা উপায়: সত্যি, চালাকি, নাকি মিথ্যা? রাডার কিন্তু সব ধরে।
কোন সালের স্মৃতি?
বাংলাদেশের পাঁচটা চেনা মুহূর্ত, পাঁচটা আলাদা দশক থেকে। স্লাইড করে সালটা বসাও। একদম ঠিক হলে ১০০০ পয়েন্ট।
চারসূত্র
রোজ ১২টা শব্দ, তার ভেতরে চারটা করে তিনটা দল লুকিয়ে আছে। ভুল করার সুযোগ চারবার। আজকেরটা মেলাতে পারবে?
আত্মীয় বিঙ্গো
দাওয়াতে, বিয়েতে বা ঈদে-পূজায় আত্মীয়রা যা যা বলেছে, টিক দাও। পাঁচটা এক লাইনে মিললেই বিঙ্গো!
কতটা বানান জানো?
১০টা শব্দ, প্রতিটায় ১৫ সেকেন্ড। মুহূর্ত না মুহুর্ত? দশে দশ পাওয়া এত সহজ না।